শাহজালালে আবার স্বর্ণ ডিম্ব প্রসব করলেন ৩২ বছরের ৫.৬ ফুট লম্বা এক যুবক। পরপর ৩টা সবুজ প্যাকেটে মোড়ানো প্রতিটি ১০০ গ্রাম করে ৬টি সোনার বার নিজেই প্রসব করলেন খুলনার নুর আলম নামের এই যাত্রী। বাবার নাম মো জাকির খান, পাসপোর্ট নং BB 0750750। তিনি মালয়েশিয়া থেকে রাত ১২.৩০ টায় শাহজালালে ওডি১৬২ যোগে অবতরণ করেন। বেল্ট নং ৬ থেকে ব্যাগ নিয়ে আনমনে বের হচ্ছিলেন নুর আলম। তিনি টের পাননি, বেরসিক শুল্ক গোয়েন্দার দল তাকে নজরদারি করছে। শনাক্ত হওয়ার পর স্বাভাবিক হাওয়ার চেষ্টা। প্রতিবাদ করেন জিজ্ঞাসাবাদে। হুমকিও দেন কঠিন ভঙিতে। শুল্ক গোয়েন্দা নাছোর বান্দা। পাসপোর্ট নিয়ে চেক করে দেখা যায়, তিনি বহুবার বিদেশ সফর করেছেন। পেশার সাথে এই ভ্রমন বেমানান। গত পাঁচ মাসে তিনি ছয় বার বিদেশ গিয়েছেন। নুর আলমকে কাস্টমস হলে হাঁটানো হলো, সাথে পানি। সনাতন পদ্ধতি প্রয়োগ হলো। ব্যর্থতায় এক্সরে, অপারেশন -বুঝানো হলো গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ সম্পর্কে। বলা হলো, পেটের ভেতরে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণ রাষ্ট্রের সম্পদ। দীর্ঘ আড়াই ঘন্টার চেষ্টার পর তিনি বুঝলেন, এদের থেকে রক্ষা নেই। আরো ৪ গ্লাস পানি পান করলেন। এক নং বেল্টের নিকট টয়লেটে নেয়া হলো নুর আলমকে। সাথে গোয়েন্দা দুইজন। একেক করে তিনটি প্যাকেটে ৬ টি সেনার বার বের করে আনলেন। নিজেই হাতে করে আনলেন, রাখলেন টেবিলে। 'এই নিন আপনার রাষ্ট্রের সম্পদ'। ততক্ষণে ঘর্মাক্ত নুর আলম। প্রথমে বসানো হলো। এরপর শুয়ে পডলেন তিনি। প্রসব করা এই মানুষটাকে সুস্থ্য করা হলো জুস ও দুধ খাইয়ে। ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে রেক্টামে বিশেষভাবে লুকিয়ে রেখেছিলেন এই স্বর্ণ। তার ব্যাগ তল্লাশি করে পাওয়া গেলো আরো ১০০ গ্রাম সোনার চেইন। মোট স্বর্ণ ৭০০ গ্রাম, দাম ৩০ লাখ টাকা। সাথে ১০০০ এমএল যৌন উত্তেজক জেলও উদ্ধার করা হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে যেতে হলো থানা হাজতে।
শাহজালালে আবার স্বর্ণ ডিম্ব প্রসব করলেন ৩২ বছরের ৫.৬ ফুট লম্বা এক যুবক। পরপর ৩টা সবুজ প্যাকেটে মোড়ানো প্রতিটি ১০০ গ্রাম করে ৬টি সোনার বার নিজেই প্রসব করলেন খুলনার নুর আলম নামের এই যাত্রী। বাবার নাম মো জাকির খান, পাসপোর্ট নং BB 0750750। তিনি মালয়েশিয়া থেকে রাত ১২.৩০ টায় শাহজালালে ওডি১৬২ যোগে অবতরণ করেন। বেল্ট নং ৬ থেকে ব্যাগ নিয়ে আনমনে বের হচ্ছিলেন নুর আলম। তিনি টের পাননি, বেরসিক শুল্ক গোয়েন্দার দল তাকে নজরদারি করছে। শনাক্ত হওয়ার পর স্বাভাবিক হাওয়ার চেষ্টা। প্রতিবাদ করেন জিজ্ঞাসাবাদে। হুমকিও দেন কঠিন ভঙিতে। শুল্ক গোয়েন্দা নাছোর বান্দা। পাসপোর্ট নিয়ে চেক করে দেখা যায়, তিনি বহুবার বিদেশ সফর করেছেন। পেশার সাথে এই ভ্রমন বেমানান। গত পাঁচ মাসে তিনি ছয় বার বিদেশ গিয়েছেন। নুর আলমকে কাস্টমস হলে হাঁটানো হলো, সাথে পানি। সনাতন পদ্ধতি প্রয়োগ হলো। ব্যর্থতায় এক্সরে, অপারেশন -বুঝানো হলো গোয়েন্দা হস্তক্ষেপ সম্পর্কে। বলা হলো, পেটের ভেতরে লুকিয়ে রাখা স্বর্ণ রাষ্ট্রের সম্পদ। দীর্ঘ আড়াই ঘন্টার চেষ্টার পর তিনি বুঝলেন, এদের থেকে রক্ষা নেই। আরো ৪ গ্লাস পানি পান করলেন। এক নং বেল্টের নিকট টয়লেটে নেয়া হলো নুর আলমকে। সাথে গোয়েন্দা দুইজন। একেক করে তিনটি প্যাকেটে ৬ টি সেনার বার বের করে আনলেন। নিজেই হাতে করে আনলেন, রাখলেন টেবিলে। 'এই নিন আপনার রাষ্ট্রের সম্পদ'। ততক্ষণে ঘর্মাক্ত নুর আলম। প্রথমে বসানো হলো। এরপর শুয়ে পডলেন তিনি। প্রসব করা এই মানুষটাকে সুস্থ্য করা হলো জুস ও দুধ খাইয়ে। ৩০ হাজার টাকার বিনিময়ে রেক্টামে বিশেষভাবে লুকিয়ে রেখেছিলেন এই স্বর্ণ। তার ব্যাগ তল্লাশি করে পাওয়া গেলো আরো ১০০ গ্রাম সোনার চেইন। মোট স্বর্ণ ৭০০ গ্রাম, দাম ৩০ লাখ টাকা। সাথে ১০০০ এমএল যৌন উত্তেজক জেলও উদ্ধার করা হয়। শেষ পর্যন্ত তাকে যেতে হলো থানা হাজতে।


